লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর বাথরুমের সেপটিক ট্যাংক থেকে ১৮ মাস বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত শিশুটির নাম কানিজ ফাতেমা। সে রায়পুর উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের পশ্চিম চরমোহনা গ্রামের রায় বাড়ির বাসিন্দা কাঞ্চন হোসেন ও জান্নাতুল ফেরদৌস মেরীনের কন্যা।
পুলিশ জানায়, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্তদের বসতবাড়ির পেছনে থাকা একটি বাথরুমের সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে পাশের বাড়িতে খেলতে গিয়ে শিশুটি নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবার রায়পুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।
এ ঘটনায় শিশুটির মা জান্নাতুল ফেরদৌস মেরীন বাদী হয়ে একই বাড়ির তোফায়েল আহাম্মদ(৬০), ফিরোজা বেগম(৫০) ও নিশু আক্তারের(২৫) বিরুদ্ধে রায়পুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের আটক করে।
শিশুটির মা অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার দিন সকালে তার মেয়ে প্রতিবেশী তোফায়েল আহাম্মদের ঘরের ভেতরে যায়। এরপর আর তাকে পাওয়া যায়নি। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার শিশুকন্যাকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। উত্তেজিত জনতা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া বলেন, “শিশুটির লাশ সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পিএম